আজ বুধবার বগুড়া প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বগুড়ার জামিলনগরের ব্যবসায়ী ছায়ফুল ইসলাম লিখিত বক্তব্যে জানান,ব্যবসা বাণিজ্যের প্রসারে বগুড়া রেলওয়ের ৭২৪ দাগের ৯৬ শতাংশ জমি ২০২৩ সালের ১ জুলাই থেকে বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে তারা বৈধভাবে লিজ নিয়ে নিয়মিত নির্ধারিত খাজনা পরিশোধ করে আসছেন। যার মাধ্যমে সরকারের প্রায় ৭০ লাখ টাকা রাজস্ব আদায় হয়েছে। উক্ত জমির প্রকৃত শ্রেণি ‘ভিটা’ হলেও কাগজে-কলমে ‘পুকুর/কৃষি’ থাকায় রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের আবেদনের প্রেক্ষিতে জেলা প্রশাসক মো. তৌফিকুর রহমানের অনুমোদনে ও ফাঁপোড় ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা মো. মোকলেছুর রহমানের প্রতিবেদন অনুযায়ী গত ০৮/০৪/২০২৬ তারিখে অনলাইনে তা ‘ভিটা’ হিসেবে পরিবর্তিত ও অনুমোদিত হয়।
এছাড়া উক্ত জমির বিষয়ে মহামান্য হাইকোর্টে দায়েরকৃত রিট পিটিশনও খারিজ হয়ে যাওয়ায় কোনো আইনি জটিলতা বা নিষেধ না থাকা এবং বগুড়া সিটি করপোরেশনে আগামী ২৯ জুলাই ২০২৬ তারিখে বিষয়টি নিয়ে শুনানির দিন ধার্য থাকা সত্ত্বেও মঙ্গলবার ভুল বোঝাবুঝির বশে সিটি করপোরেশন তাদের দেওয়া টিনের বেড়া উচ্ছেদ করায় তারা অত্যন্ত ব্যথিত ও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।
সংবাদ সম্মেলনে তারা সিটি করপোরেশন প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্টদের সকল বৈধ কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করে তাদের বাণিজ্যিকভাবে ব্যবসা করার সুযোগ দেওয়ার এবং সত্য সংবাদ তুলে ধরার জোর আহ্বান জানান।