ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির হেভিওয়েট ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থীদের উপস্থিতি অস্বস্তি বাড়াচ্ছে মিত্রদের। জোট সমঝোতার মাধ্যমে মিত্রদের ছেড়ে দেওয়া ১৬টি আসনের মধ্যে আটটি আসনেও বিএনপির নেতারা বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। মিত্ররা পরাজিত হলেও হয় তারা জাতীয় সরকারে স্থান পাবেন, নয়তো জায়গা হবে উচ্চকক্ষে। এমনটাই জানিয়েছে বিএনপি।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান শুক্রবার বলেন, ‘আমরা প্রথম থেকেই জাতীয় ঐকমত্যের সরকারের কথা বলেছি, যাদের সঙ্গে আমাদের ঐকমত্য আছে তাদের সঙ্গে নিয়ে সরকার গঠন করব আমরা। মিত্রদের সেখানে কিভাবে রাখা হবে নির্বাচনের পর তা নির্ধারণ করা হবে।
তিনি এও বলেন, আমরা মিত্রদের যথাযথ মূল্যায়নের চেষ্টা করেছি। আরও অনেক আসন ছাড় দেওয়া হতো, কিন্তু নির্বাচন কমিশনের আরপিও অনুসারে মিত্রদের নিজ দলের প্রতীকে নির্বাচন করতে হচ্ছে। ফলে অনেকেই নিজ প্রতীকে নির্বাচন করলে আসন নিয়ে শঙ্কা থাকে। এমন অবস্থায় কেউ কেউ আমাদের দলে যোগ দিয়ে নির্বাচন করছেন। আবার কেউ কেউ নিজ দলেরও প্রতীকেও করছেন। এ বিষয়ে নির্বাচন পরবর্তী সময়ে মিত্রদের নিয়ে আরও আলোচনা হবে।